কিঞ্চিৎ ১৮+ শব্দ আছে গল্পটিতে। নিজ দায়িত্বে পড়বেন।
আশা করছি এটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি তে দেখবেন।
ছেলে- হ্যালো বাবু কই তুমি?মেয়ে- জান আমি তো মাত্র বাসা থেকে বের হচ্ছি। একটু অপেক্ষা করো।
--এতসময় লাগে পাখিটা? আমাদের তো সকাল দশটায় দেখা করার কথা। এখন তো এগার টা বাজে।
--আরে আর বইলো না। বের হতে যাচ্ছি এমন সময় আম্মু ধরলো। জিজ্ঞেস করলো ছুটির দিনে কোথায় যাচ্ছি। আম্মু কে কোনরকম বুঝালাম। আবার ভাইয়া এসে ঘ্যান ঘ্যান শুরু করলো। ভাইয়া কে বুঝিয়ে বের হতে দেড়ি হয়ে গেলো। তুমি একটু অপেক্ষা করো জান। আমি আসছি।
--ও... আচ্ছা জান তুমি আসো। আমি অপেক্ষা করছি। ছেলেটি অপেক্ষা করতে থাকে। এগারটা থেকে বারোটা, তারপর একটা। তবুও মেয়েটির আসার কোন খবর নেই। এই সময়ের মধ্যে অনেকবার ফোন দিয়েছে মেয়েটি কে। কিন্তু ফোন পিক করে নি। আবার ফোন দেয় মেয়েটি কে ছেলেটা। এই লাস্ট, এবার পিক না করলে ছেলেটা চলে যাবে ভাবছে।
আসলে মেয়েটির কোন বিপদ হতে পারে সেটা মাথায় আসে নি ছেলেটির। এবার ফোনটা রিসিভ করে মেয়েটি। ছেলেটি রাগি গলায় বলে:-
--কোথায় তুমি? এখনো আসছো না কেন?
--আরে আর বলো না। সেই থেকে জ্যামে বসে আছি তো আছিই। আর একটু অপেক্ষা করো। বলেই ফোন রেখে দেয় মেয়েটি।
আসলে মেয়েটা জ্যামে নয়। সে আছে অন্য একটা বয়ফ্রেন্ডের সাথে ড্যাটিং এ। মেয়েটি ভালো নয়। ওর সভাব বিভিন্ন
ছেলেদের সাথে রিলেশন করে টাকা খাওয়া। প্রয়োজনে নিজের শরির টা বিলিয়ে দিতে দিধা করে না। আজ এই ছেলে তো কাল অন্য ছেলে। এখনও মেয়েটির ৪-৫ টা বয়ফ্রেন্ড আছে। আজ ওর ফ্রেন্ডের জন্মদিন। গিফট দেয়ার জন্য দুজনের কাছ থেকে টাকা নিবে সে। তার জন্য এখন একজনের সাথে দেখা করতে এসেছে। আর আরেক জন কে বসিয়ে রেখেছে। সেদিকে একজন কে বসিয়ে রেখে এখানে আরেকজনের সাথে বিছানায় নিজের সমস্ত বিলিন করে দিচ্ছে। মেতে উঠেছে এক নিষিদ্ধ যৌন খেলায়। একজনের সাথে ড্যাটিং শেষ করে এখন এসেছে আরেকজনের কাছে। এদিকে এখন যার সাথে দেখা হওয়ার কথা সেই ছেলে সত্যি সত্যি অনেক ভালোবেসেছিলো মেয়েটি কে। কিন্তু ছেলেটি ওর একটা ফ্রেন্ডের থেকে শুনেছে যে মেয়েটি ভালো না। সে ছেলেদের ধোকা দিয়ে টাকা খায়। ছেলেটি প্রথমে বিশ্বাস না করলেও ওর বন্ধু অন্য একটা ছেলের সাথে মেয়েটির অন্তরঙ্গ ছবি দেখায়। তখন ছেলেটি নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছিলো না। খুব কষ্ট হচ্ছিলো ওর। আর তখনি ছেলেটি বন্ধুর সাথে মিলে মেয়েটি কে একটা শিক্ষা দেয়ার প্ল্যানিং করে। ছেলেটি আসে আজ মেয়েটির সাথে দেখা করতে। আসার সময় আরো কিছু ফ্রেন্ড কে বলে আসে যে ওরা একটা রুম ঠিক করে রাখতে। কিছুক্ষন পর মেয়েটি আসে। হাসি মুখে ছেলেটি এগিয়ে যায় মেয়েটির দিকে।
--এসেছ জান? সেই কখন থেকে তোমার অপেক্ষা করছি।
--আহারে... খুব কষ্ট হয়েছে আমার বাবুটার? কেন যে এত জ্যাম লাগে। শুধু শুধু আমার বাবুটা কষ্ট পেলো।
--ও কিছু না বাবুইপাখি। আমার কোন কষ্ট হয়নি।
--জান শুনো না। আমার না একটা ড্রেস পছন্দ হয়েছে। সেটা কিনার টাকা কিন্তু তোমাকে দিতে হবে। এবং আজই।
--ঠিক আছে পাখি। শুন বাবু, আজ না আমার একটা ফ্রেন্ডের বাড়িতে ইনভাইট করেছে। তোমাকেও নিয়ে যেতে বলেছে। চলো না যাই।
-- না জান। আজ সময় নেই।
--কিন্তু এখন তো আমার কাছে টাকা নেই। আমার সেই ফ্রেন্ডের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তোমাকে দিবো।
--ঠিক আছে। তাহলে আসো যাই। মেয়েটি মনের খুশিতে যাচ্ছে ছেলেটির সাথে। আর মনে বলছে, আরে গাধা, আজই তোর সাথে শেষ দিন। এরপর আর আমাকে পাবি না। এদিকে ছেলেটি ও মনে মনে বলছে যে, ছেলেদের ধোকা দেয়ার শাস্তি আজ তুই পাবি।
কিছুক্ষন পরেই সেই বন্ধুদের ঠিক করা যায়গায় যায় দুজন। মেয়েটি কিছু না বুঝেই চলে যায় সেখানে। রুমের ভিতরে ঢুকার পর মেয়েটি দেখতে পায় কেউ নেই সেখানে।
মেয়েটা কিছুটা বুঝতে পারে যে ছেলেটি কি করতে চাচ্ছে ওর সাথে। যাই করুক এতে ওর যায় আসে না। কারণ এমন আরো অনেক ছেলের সাথেই এমন নিষিদ্ধ যৌন খেলা করেছে সে।
এতে ওর ও শারিরিক চাহিদা পুরন হয় আর টাকাও পাওয়া যায়।
ছেলেটি মেয়েটি কে প্রস্তাব দেয় ওর সাথে শারিরিক সম্পর্ক করার। প্রথমে ও রাজি না হওয়ার অভিনয় করলেও পরে ঠিকই রাজি হয়। আবারো শুরু হয়ে মেয়েটি অবৈধ খেলা।
এদিকে একরুমে ছেলে আর মেয়েটি নিজেদের কাম উত্তেজনায় মেতে আছে। আর অন্য রুমে ছেলেটির বন্ধুরা ভিডিও করছে ওদের এই নগ্ন মুহূর্ত টা।
ছেলেটি নিজের ক্ষুদা মেটানোর পর যেই মেয়েটি বিছানা ছেরে উঠতে যাবে তখন ছেলেটির বন্ধুরা অন্য রুম থেকে এসে মেয়েটি কে ভিডিও টি দিখিয়ে বলে যে ওদের সাথে ও করতে হবে। নাহলে ইন্টার নেটে ছরিয়ে দিবে এই ভিডিও। মেয়েটি তখন অবাক হয়ে ছেলেটিরর দিকে তাকিয়ে থাকে। আর ছেলেটি হাসতে হাসতে বলে যে "এতদিন অনেক ছেলের জীবন নষ্ট করেছিস। অনেক ছেলেকে ধোকা দিয়ে টাকা খেয়েছিস। এখন নিজে একবার ধোকা খেয়ে দেখ কেমন লাগে। কতটা কষ্ট হয় ধোকা খেলে। কতটা যন্ত্রণা একটা হৃদয় ভাঙার।
ছেলেটির কথা শুনে মেয়েটি কিছু বলতে পারে নি। চুপ হয়ে যায়। নিরবে চোখের পানি পরতে থাকে মেয়েটির। আর অন্য দিকে শিক্ষা দেয়ার নামে ছেলেটির বন্ধুরাও মেয়েটি শরিরটা কে একটা মাংস পিন্ড ভেবে ঝাপিয়ে পরে হিংস্র পশুর মত
ছেলেদের সাথে রিলেশন করে টাকা খাওয়া। প্রয়োজনে নিজের শরির টা বিলিয়ে দিতে দিধা করে না। আজ এই ছেলে তো কাল অন্য ছেলে। এখনও মেয়েটির ৪-৫ টা বয়ফ্রেন্ড আছে। আজ ওর ফ্রেন্ডের জন্মদিন। গিফট দেয়ার জন্য দুজনের কাছ থেকে টাকা নিবে সে। তার জন্য এখন একজনের সাথে দেখা করতে এসেছে। আর আরেক জন কে বসিয়ে রেখেছে। সেদিকে একজন কে বসিয়ে রেখে এখানে আরেকজনের সাথে বিছানায় নিজের সমস্ত বিলিন করে দিচ্ছে। মেতে উঠেছে এক নিষিদ্ধ যৌন খেলায়। একজনের সাথে ড্যাটিং শেষ করে এখন এসেছে আরেকজনের কাছে। এদিকে এখন যার সাথে দেখা হওয়ার কথা সেই ছেলে সত্যি সত্যি অনেক ভালোবেসেছিলো মেয়েটি কে। কিন্তু ছেলেটি ওর একটা ফ্রেন্ডের থেকে শুনেছে যে মেয়েটি ভালো না। সে ছেলেদের ধোকা দিয়ে টাকা খায়। ছেলেটি প্রথমে বিশ্বাস না করলেও ওর বন্ধু অন্য একটা ছেলের সাথে মেয়েটির অন্তরঙ্গ ছবি দেখায়। তখন ছেলেটি নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছিলো না। খুব কষ্ট হচ্ছিলো ওর। আর তখনি ছেলেটি বন্ধুর সাথে মিলে মেয়েটি কে একটা শিক্ষা দেয়ার প্ল্যানিং করে। ছেলেটি আসে আজ মেয়েটির সাথে দেখা করতে। আসার সময় আরো কিছু ফ্রেন্ড কে বলে আসে যে ওরা একটা রুম ঠিক করে রাখতে। কিছুক্ষন পর মেয়েটি আসে। হাসি মুখে ছেলেটি এগিয়ে যায় মেয়েটির দিকে।
--এসেছ জান? সেই কখন থেকে তোমার অপেক্ষা করছি।
--আহারে... খুব কষ্ট হয়েছে আমার বাবুটার? কেন যে এত জ্যাম লাগে। শুধু শুধু আমার বাবুটা কষ্ট পেলো।
--ও কিছু না বাবুইপাখি। আমার কোন কষ্ট হয়নি।
--জান শুনো না। আমার না একটা ড্রেস পছন্দ হয়েছে। সেটা কিনার টাকা কিন্তু তোমাকে দিতে হবে। এবং আজই।
--ঠিক আছে পাখি। শুন বাবু, আজ না আমার একটা ফ্রেন্ডের বাড়িতে ইনভাইট করেছে। তোমাকেও নিয়ে যেতে বলেছে। চলো না যাই।
-- না জান। আজ সময় নেই।
--কিন্তু এখন তো আমার কাছে টাকা নেই। আমার সেই ফ্রেন্ডের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তোমাকে দিবো।
--ঠিক আছে। তাহলে আসো যাই। মেয়েটি মনের খুশিতে যাচ্ছে ছেলেটির সাথে। আর মনে বলছে, আরে গাধা, আজই তোর সাথে শেষ দিন। এরপর আর আমাকে পাবি না। এদিকে ছেলেটি ও মনে মনে বলছে যে, ছেলেদের ধোকা দেয়ার শাস্তি আজ তুই পাবি।
কিছুক্ষন পরেই সেই বন্ধুদের ঠিক করা যায়গায় যায় দুজন। মেয়েটি কিছু না বুঝেই চলে যায় সেখানে। রুমের ভিতরে ঢুকার পর মেয়েটি দেখতে পায় কেউ নেই সেখানে।
মেয়েটা কিছুটা বুঝতে পারে যে ছেলেটি কি করতে চাচ্ছে ওর সাথে। যাই করুক এতে ওর যায় আসে না। কারণ এমন আরো অনেক ছেলের সাথেই এমন নিষিদ্ধ যৌন খেলা করেছে সে।
এতে ওর ও শারিরিক চাহিদা পুরন হয় আর টাকাও পাওয়া যায়।
ছেলেটি মেয়েটি কে প্রস্তাব দেয় ওর সাথে শারিরিক সম্পর্ক করার। প্রথমে ও রাজি না হওয়ার অভিনয় করলেও পরে ঠিকই রাজি হয়। আবারো শুরু হয়ে মেয়েটি অবৈধ খেলা।
এদিকে একরুমে ছেলে আর মেয়েটি নিজেদের কাম উত্তেজনায় মেতে আছে। আর অন্য রুমে ছেলেটির বন্ধুরা ভিডিও করছে ওদের এই নগ্ন মুহূর্ত টা।
ছেলেটি নিজের ক্ষুদা মেটানোর পর যেই মেয়েটি বিছানা ছেরে উঠতে যাবে তখন ছেলেটির বন্ধুরা অন্য রুম থেকে এসে মেয়েটি কে ভিডিও টি দিখিয়ে বলে যে ওদের সাথে ও করতে হবে। নাহলে ইন্টার নেটে ছরিয়ে দিবে এই ভিডিও। মেয়েটি তখন অবাক হয়ে ছেলেটিরর দিকে তাকিয়ে থাকে। আর ছেলেটি হাসতে হাসতে বলে যে "এতদিন অনেক ছেলের জীবন নষ্ট করেছিস। অনেক ছেলেকে ধোকা দিয়ে টাকা খেয়েছিস। এখন নিজে একবার ধোকা খেয়ে দেখ কেমন লাগে। কতটা কষ্ট হয় ধোকা খেলে। কতটা যন্ত্রণা একটা হৃদয় ভাঙার।
ছেলেটির কথা শুনে মেয়েটি কিছু বলতে পারে নি। চুপ হয়ে যায়। নিরবে চোখের পানি পরতে থাকে মেয়েটির। আর অন্য দিকে শিক্ষা দেয়ার নামে ছেলেটির বন্ধুরাও মেয়েটি শরিরটা কে একটা মাংস পিন্ড ভেবে ঝাপিয়ে পরে হিংস্র পশুর মত
বিঃদ্রঃ- ঘটনা টা সম্পূর্ণই কাল্পনিক। এর সাথে বাস্তব কারো জীবনের মিল নিয়ে লেখা হয়নি। যদিও কারো জীবনের সাথে মিলে যায় তাহলে আমি ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু এমন ঘটনা আমাদের জীবনে অহরহই ঘটে থাকে। বিভিন্ন ভাবে ধোকা খায় নিরিহ ছেলে মেয়েরা। কিছু প্লেবয়/ প্লেগার্ল এর কারণে সারাজীবন কষ্ট পায় কিছু ভালোবাসা হারানো মানুষ।






0 মন্তব্য:
Post a Comment