কলেজে যেতেই আজ পরিবেশ অন্য রকম মনে হলো রাজের কাছে। সবাই কি একটা বিষয় নিয়ে যেন আলোচনা করছে।কিন্তু এসব বিষয়ের প্রতি কোন খেয়ালই নেই রাজের।তার মাথায় একটা চিন্তাই ঘুরপাক খাচ্ছে ম্যানেজমেন্ট ক্লাস ভালোয় ভালোয় কাটলে হয়।টাক ওয়ালা স্যারটা যেই পরিমাণ পড়া দিয়েছে তাতে মাথা নষ্ট হওয়ার যোগার।আবার রাত তিনটা পর্যন্ত পড়েছে সে।
ক্লাসে বসে আছে রাজ।কিন্তু স্যারের তো আসার খোজিই নেই।
কলেজের প্রিন্সিপ্যাল একজন মেয়েকে নিয়ে ক্লাসে ঢুকলেন।
"Dear students" ইনি তোমাদের নতুন টিচার। স্যারের সাময়িক অসুস্থতার কারণে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে আছেন তিনি।আশা করি সবাই তাকে সম্মান করবে।
ক্লাসের সবাই তাদের ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে আছে।এত সুন্দর মেয়েকে যেন কেউ আগে দেখেনি। সবারই একটাই প্রশ্ন,এত কম বয়সী মেয়ে তাদের ম্যাডাম।
এতক্ষন পরে নির্জনতা ভেঙে মুখ খুললেন ম্যাডাম।"প্রীয় ছাত্রছাত্রীরা আমি নীলাদ্রী আক্তার। সবাই অবাক হচ্ছো, আসলে আব্বুর শরীরটা অনেক খারাপ তাই আমাকেই কিছুদিনের জন্য ক্লাস নিতে হচ্ছে আর কি।আর হ্যা,এইবার আমি ঢাবিতে ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যানেজমেন্ট।এবার সবাই তোমাদের টা বলো...
একে একে সবাই বললো।কিন্তু রাজ হা করে তাকিয়ে আছে ম্যাডামের দিকে।একি ম্যাডাম নাকি মিস ইউনিভার্স।
শুধু যে ওই এভাবে তাকিয়ে আছে তা নয়,ক্লাসের অন্যান্য রোমিওরাও তাকিয়ে আছে।
এবার রাজের পালা।কিন্তু রাজ তো পুরাই টাস্কিত। আমতা আমতা গলায় বলল আমার নাম আল আমিন ইসলাম রাজ। আপনি না দেখতে অনেক সুন্দর।
রাজের মুখে এমন কথা শুনে সবাই তো অবাক। ম্যাডামও খানিকটা লজ্জা পেলেন। কিন্তু সেটা ধন্যবাদ বলে উড়িয়ে দিলেন।
বাড়িতে এসে রাজ চোখ বুজলেই ভেসে আসছে ম্যাডামের ছবি। পড়াতেও মন বসছেনা। তাহলে কি ম্যাডামের প্রেমে পড়ে গেলো...তা কি করে সম্ভব। ম্যাডামের সাথে?নাহ.....অসম্ভব।
এদিকে নীলাদ্রীও রাজের কথা ভেবে এক গাল হেসে নিলো। কি পাগোল টাই না ছেলেটা। তাছাড়াও এমন ভাবে কেউ
তাকে কোনদিনও বলেনি। সেদিনকার মতো নীলাদ্রিও ঘুমিয়ে পড়লো।
ক্লাসে নীলাদ্রী পড়া বুঝাচ্ছে কিন্তু মনে মনে রাজ ছেলেটাকেও খুঁজছে। অবশেষে রাজ এসে পৌঁছালো।এসেই ক্লাসে না ঢুকে ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে আছে।ম্যাডামও রাজকে দেখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো।
ওদিকে তো সবাই তাদের দু'জনের এই কান্ড দেখছে।একটু বাদেই নীলাদ্রী সংযত হয়ে গলায় ঝাড়ি মেরে বললো এই ছেলে ক্লাসে আসো।বড্ড বদ তুমি...
এরপর থেকে নীলাদ্রী ক্লাস নেবার সময় রাজ শুধুই তার দিকে তাকিয়ে থাকে... নীলাদ্রী কিভাবে কথা বলছে,কিভাবে চুল সরাচ্ছে এই সব দেখে রাজ।
নীলাদ্রীও অবশ্য এইগুলো টের পাই।আজ নীলাদ্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে রাজের সাথে সিরিয়াসলি কথা বলবে। একজন ছাত্র হয়ে ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে থাকে এত সাহস।
এদিকে রাজও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে নীলাদ্রীকে আজ সব বলে দিবে।ম্যাডাম তাতে কি হয়েছে।ম্যাডাম বলে কি ভালোবাসা যাবেনা? এজন্য সকাল থেকে আয়নার সামনে দাড়িয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে।
ক্লাস শেষে নীলাদ্রী রাজকে বলেছে ক্যান্টিনে থাকতে। রাজও মনে মনে এমনটাই চাইছিলো।
=এই ছেলে এভাবে তাকিয়ে থাক কেন?
:সত্যিই বলব?
=সত্যিই ছাড়া কি বলবা?
:ম্যাডাম আমি আপনাকে ভালোবাসি।
=কি বললা?পাগল হইছো নাকি তুমি?
:না ম্যাডাম সত্যিই অসম্ভব ভালোবাসি আপনাকে...প্লিস ফিরিয়ে দেবেননা আমায়...
=তা কি করে সম্ভব? ভেবে দেখেছো তুমি আমার থেকে ছোট...
:মাত্র তো এক বছরের বড়।তাছাড়াও তো দেখেন বড় ছোটতে কত প্রেম আছে।
=এত কথা বল কেন তুমি?একবার ভেবেছো আমি যদি প্রিন্সিপ্যাল কে বলি তোমার কি হবে?
:কিচ্ছু বুঝতে চাইনা আমি।আমি স্রেফ আপনাকে ভালোবাসি।দরকার হলে সময় নিন ভেবে দেখার...
=ওকে ওকে.... সরে যাও...
নীলাদ্রী ক্লাসে পড়াচ্ছে।আবার রাজের কথাও মনে পড়ছে তার।কিন্তু রাজতো আসে নাই।
এভাবে ছয় সাত দিন রাজের কোন দেখা মিললোনা।নীলাদ্রিও ওকে প্রচুর মিস করছে।আর কিছুতেই ভুলতে পারছেনা। তাহলে কি সেও রাজকে ____
তার সাথে কেন এমন সে বুঝতেই পারছেনা। আজ নীলাদ্রিও ভেবেছে সে রাজকে মনের কথা বলবে.....ছাত্র তাতে কি?প্রেম কি কোন বয়স মানে।একটু বয়সের পার্থক্য থেকে যদি নতুন প্রেমের সূচনা হয় তাতে সমস্যা কি?
কলেজে গিয়ে রাজকে খুজে পেলোনা সে...তাই ওর বন্ধুদের কাছ থেকে গিয়ে রাজের ঠিকানা নিয়ে গেলো রাজের কাছে।গিয়ে দেখে রাজ মনমরা হয়ে বসে আছে টেবিলের সামনে।
রাজের সামনে গিয়েই একটা থাপ্পড় দিলো রাজকে।
=কলেজে যাওনা কেন? জানোনা আমার কষ্ট হয়?
:আমারো কি কম কষ্ট হয়েছে আপনাকে না দেখে থাকতে?
=আমি তোমাকে অসম্ভব ভালোবাসি রাজ...
:আমি জানতাম আপনি আসবেন...কারন আমি যে আপনাকে একদম মন থেকে ভালোবাসি।
.
=তবে একটা সমস্যা...
:কি?
=বাবা বিয়ে ঠিক করে রেখেছেন....এখনি বিয়ে করতে হবে আমায়.....
:তা কি করে সম্ভব...আমার তো বয়স হয়নি...আর কিছুদিন পরে এইস এস সি পরীক্ষা...মা বাবা কি মনে করবে?
=সেটা জানিনা...আপাতত রেজিস্ট্রি হোক...পরে সব ঠিক হয়ে যাবে...
:কলেজের সবাই কি বলবে?
=যে যা বলে বলুক....চল...
.............................
অতঃপর গোপনে বিয়ে....
.
আজকে আবার ক্লাস নিচ্ছে নীলাদ্রী। সামনে রাজও আছে।তার বেশ লজ্জা লাগছে।
.
ক্লাস শেষে....
=শোন
এইভাবে তাকিয়ে থাকবানা...সবাই কি বলবে?আর আমারো তো লজ্জা লাগে...
:সমস্যা কি?আমার বউকে আমি দেখবো তাতে কার কি? অতঃপর নীলাদ্রী রাজের মাথায় বুক দিলো আস্তে আস্তে দু'জনের গরম নিস্বাস বইতে লাগলো.........
একে একে সবাই বললো।কিন্তু রাজ হা করে তাকিয়ে আছে ম্যাডামের দিকে।একি ম্যাডাম নাকি মিস ইউনিভার্স।
শুধু যে ওই এভাবে তাকিয়ে আছে তা নয়,ক্লাসের অন্যান্য রোমিওরাও তাকিয়ে আছে।
এবার রাজের পালা।কিন্তু রাজ তো পুরাই টাস্কিত। আমতা আমতা গলায় বলল আমার নাম আল আমিন ইসলাম রাজ। আপনি না দেখতে অনেক সুন্দর।
রাজের মুখে এমন কথা শুনে সবাই তো অবাক। ম্যাডামও খানিকটা লজ্জা পেলেন। কিন্তু সেটা ধন্যবাদ বলে উড়িয়ে দিলেন।
বাড়িতে এসে রাজ চোখ বুজলেই ভেসে আসছে ম্যাডামের ছবি। পড়াতেও মন বসছেনা। তাহলে কি ম্যাডামের প্রেমে পড়ে গেলো...তা কি করে সম্ভব। ম্যাডামের সাথে?নাহ.....অসম্ভব।
এদিকে নীলাদ্রীও রাজের কথা ভেবে এক গাল হেসে নিলো। কি পাগোল টাই না ছেলেটা। তাছাড়াও এমন ভাবে কেউ
তাকে কোনদিনও বলেনি। সেদিনকার মতো নীলাদ্রিও ঘুমিয়ে পড়লো।
ক্লাসে নীলাদ্রী পড়া বুঝাচ্ছে কিন্তু মনে মনে রাজ ছেলেটাকেও খুঁজছে। অবশেষে রাজ এসে পৌঁছালো।এসেই ক্লাসে না ঢুকে ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে আছে।ম্যাডামও রাজকে দেখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো।
ওদিকে তো সবাই তাদের দু'জনের এই কান্ড দেখছে।একটু বাদেই নীলাদ্রী সংযত হয়ে গলায় ঝাড়ি মেরে বললো এই ছেলে ক্লাসে আসো।বড্ড বদ তুমি...
এরপর থেকে নীলাদ্রী ক্লাস নেবার সময় রাজ শুধুই তার দিকে তাকিয়ে থাকে... নীলাদ্রী কিভাবে কথা বলছে,কিভাবে চুল সরাচ্ছে এই সব দেখে রাজ।
নীলাদ্রীও অবশ্য এইগুলো টের পাই।আজ নীলাদ্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে রাজের সাথে সিরিয়াসলি কথা বলবে। একজন ছাত্র হয়ে ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে থাকে এত সাহস।
এদিকে রাজও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে নীলাদ্রীকে আজ সব বলে দিবে।ম্যাডাম তাতে কি হয়েছে।ম্যাডাম বলে কি ভালোবাসা যাবেনা? এজন্য সকাল থেকে আয়নার সামনে দাড়িয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে।
ক্লাস শেষে নীলাদ্রী রাজকে বলেছে ক্যান্টিনে থাকতে। রাজও মনে মনে এমনটাই চাইছিলো।
=এই ছেলে এভাবে তাকিয়ে থাক কেন?
:সত্যিই বলব?
=সত্যিই ছাড়া কি বলবা?
:ম্যাডাম আমি আপনাকে ভালোবাসি।
=কি বললা?পাগল হইছো নাকি তুমি?
:না ম্যাডাম সত্যিই অসম্ভব ভালোবাসি আপনাকে...প্লিস ফিরিয়ে দেবেননা আমায়...
=তা কি করে সম্ভব? ভেবে দেখেছো তুমি আমার থেকে ছোট...
:মাত্র তো এক বছরের বড়।তাছাড়াও তো দেখেন বড় ছোটতে কত প্রেম আছে।
=এত কথা বল কেন তুমি?একবার ভেবেছো আমি যদি প্রিন্সিপ্যাল কে বলি তোমার কি হবে?
:কিচ্ছু বুঝতে চাইনা আমি।আমি স্রেফ আপনাকে ভালোবাসি।দরকার হলে সময় নিন ভেবে দেখার...
=ওকে ওকে.... সরে যাও...
নীলাদ্রী ক্লাসে পড়াচ্ছে।আবার রাজের কথাও মনে পড়ছে তার।কিন্তু রাজতো আসে নাই।
এভাবে ছয় সাত দিন রাজের কোন দেখা মিললোনা।নীলাদ্রিও ওকে প্রচুর মিস করছে।আর কিছুতেই ভুলতে পারছেনা। তাহলে কি সেও রাজকে ____
তার সাথে কেন এমন সে বুঝতেই পারছেনা। আজ নীলাদ্রিও ভেবেছে সে রাজকে মনের কথা বলবে.....ছাত্র তাতে কি?প্রেম কি কোন বয়স মানে।একটু বয়সের পার্থক্য থেকে যদি নতুন প্রেমের সূচনা হয় তাতে সমস্যা কি?
কলেজে গিয়ে রাজকে খুজে পেলোনা সে...তাই ওর বন্ধুদের কাছ থেকে গিয়ে রাজের ঠিকানা নিয়ে গেলো রাজের কাছে।গিয়ে দেখে রাজ মনমরা হয়ে বসে আছে টেবিলের সামনে।
রাজের সামনে গিয়েই একটা থাপ্পড় দিলো রাজকে।
=কলেজে যাওনা কেন? জানোনা আমার কষ্ট হয়?
:আমারো কি কম কষ্ট হয়েছে আপনাকে না দেখে থাকতে?
=আমি তোমাকে অসম্ভব ভালোবাসি রাজ...
:আমি জানতাম আপনি আসবেন...কারন আমি যে আপনাকে একদম মন থেকে ভালোবাসি।
.
=তবে একটা সমস্যা...
:কি?
=বাবা বিয়ে ঠিক করে রেখেছেন....এখনি বিয়ে করতে হবে আমায়.....
:তা কি করে সম্ভব...আমার তো বয়স হয়নি...আর কিছুদিন পরে এইস এস সি পরীক্ষা...মা বাবা কি মনে করবে?
=সেটা জানিনা...আপাতত রেজিস্ট্রি হোক...পরে সব ঠিক হয়ে যাবে...
:কলেজের সবাই কি বলবে?
=যে যা বলে বলুক....চল...
.............................
অতঃপর গোপনে বিয়ে....
.
আজকে আবার ক্লাস নিচ্ছে নীলাদ্রী। সামনে রাজও আছে।তার বেশ লজ্জা লাগছে।
.
ক্লাস শেষে....
=শোন
এইভাবে তাকিয়ে থাকবানা...সবাই কি বলবে?আর আমারো তো লজ্জা লাগে...
:সমস্যা কি?আমার বউকে আমি দেখবো তাতে কার কি? অতঃপর নীলাদ্রী রাজের মাথায় বুক দিলো আস্তে আস্তে দু'জনের গরম নিস্বাস বইতে লাগলো.........
(সমাপ্ত)






বাল
ReplyDeleteবড় বাল
ReplyDelete