দিনদিনই ফেসবুকে আসক্ত
হয়ে যাচ্ছে ইরা।
কলেজের ক্লাশ আর পড়ালেখার পর
বাকি সময়টুকু
তার ফেসবুকেই কাটে।
পড়ালেখা বলতে সপ্তাহে চারদিন
ভার্সিটির ক্লাশ,
দুই সাবজেক্ট পোাইভেট পড়া আর
বাসায় যা এটুকুই।
আর সারাদিন অবসর।আর তার কাছে অবসর
মানেই
ফেসবুক।বিদেশ থেকে মামার
পাঠানো ল্যাপটপটা অনলাইনে বিদেশী রাইটারদের
বই পড়ার জন্য ব্যবহার করার
কথা থাকলেও ফেসবুক
আর কিছু ওয়েবসাইট ছাড়া এটার তেমন
কোন
ব্যবহার হয় না।আর ল্যাপটপেরর চার্জ
শেষ
হলে তো মোবাইল আছেই।
ফেসবুকে তার অনেক বন্ধু।
মেয়ে বন্ধু নেই বললেই
চলে।আগে অবশ্য এত বন্ধু ছিল না।
ইদানিং হইছে।
প্রাইভেসির
আড়ালে ঢাকা আইডিতে সঠিক কোন
তথ্যও দেয়া নাই।কোন ছবি আপলোড
বা স্ট্যাটাস
আপডেট দেয়া তার কাজ নয়।সারাদিন
চ্যাট করেই
তার সময় কেটে যায়।নিউজফিডের
বিভিন্ন নগ্ন
ছবি ও চটি পেইজে লাইক দেয়া আর
রীতিমত সেক্স
চ্যাট করাই তার মূল কাজ।
সে এগুলোতে এতটাই
আসক্ত হয়ে গেছে যে নিজের
অজান্তেই কেমন যেন
একটা পৈশাচিক আনন্দ পায়।লগ ইন
করতেই
ছেলেদের মেসেজে ইনবক্স
ভর্তি তার।
প্রতিটা মেসেজের উত্তরও দেয় খুব
সুন্দর ও
আকর্ষণীয় করে।ছেলেরাও মনে হয় তার
সাথে সেক্স চ্যাট করে পৈশাচিক
আনন্দ পায়।
চ্যাটের বিনিময়ে রিচার্জ পায়
সে।তবে শত
অনুরোধের পরও
কাউকে ছবি বা কারো সাথে স্কাইপি চ্যাটে যায়
নি সে।
বেশ কিছুদিন যাবৎ একটা ছেলের
সাথে রীতিমত
চ্যাট হয় তার।ছেলেটাও অনেক
কেয়ারিং।খুব সুন্দর
সুন্দর কথা বলে।ওকে অনেক গুরুত্বও
দেয়।ওর
সাথে সেক্স চ্যাট করেও যেন
অন্যরকম
একটা অনুভূতি হয় ইরার।এতসব ছেলের
সাথে চ্যাট
করেছে কিন্তু এর মত কাউকে এত ভাল
লাগে নি আর এত মজাও পায় নি।তাই
প্রতিরাতে ছেলেটার সাথে একবার
যৌবন-
লীলা শেষ করেই ঘুমায় ইরা।
একরাতে ছেলেটা ইরার
সাথে স্কাইপি সেক্সের
জন্য নাছোড়বান্দা হয়ে পড়ে।শত
বুঝিয়েও কিছুই
হচ্ছে না।শেষে ছেলেটা ইরার নগ্ন
ছবি চায়।
যেহেতু, ছেলেটাকে ইরার বেশ
ভালোই লাগে আর
কেমন যেন দূর্বলতাও অনুভব
করে তাহলে ছেলের
অনুরোধ ফেলবে কিভাবে??
রাজি হয়ে যায় ইরা।
কেমন যেন ঘোরের মধ্যেই
বাথরুমে গিয়ে নিজের
কিছু স্হিরচিত্র ধারন করে সে।
তারপর ইডিট
করে চেহারার ঠোঁট পর্যন্ত
কেটে পাঠিয়ে দেয়
ছেলেটির ইনবক্সে।বিনিময়ে
ছেলেটিও ওর
ছবি পাঠাবে।মিনিট খানেকের
মধ্যেই ছেলেটার
মুখাবয়বসহ কিছু ছবি ইরার ইনবক্সে।
লোকটা
রহিম সাহেব একটা প্রাইভেট
কম্পানিতে জব
করেন।বেতন মোটামুটি ভালোই।এক
মেয়ে ও এক
ছেলে নিয়ে তার সংসার।
স্ত্রী নেই।ডিবোর্স
হয়ে গেছে কয়েক বছর আগে।প্রতিদিন
অফিস
শেষে বাসায় ফিরে ফ্রেশ
হয়ে ছেলে-মেয়ের
সাথে একসাথে বসে খাবার খান
তিনি।
ইদানিং তিনি কেমন যেন
হয়ে গেছেন।বেশ
কয়েকদিন যাবৎ খাবার খেয়ে নিজের
রুমে গিয়ে ল্যাপটপে কি যেন করেন।
মেয়েটাও
খেয়ে তার রুমের দরজা লাগায়।
ছেলেটা বাবা বোন
কারো সাথে সময়
কাটাতে না পেরে নিজের
রুমে গিয়ে নিজের পড়া পড়ে ও
ঘুমানোর সময়
হলে ঘুমিয়ে পড়ে।
কিছুদিন আগে এক অফিস কলিগ রহিম
সাহেবকে একটা ফেসবুক একাউন্ট
খুলে দেন।
একা মানুষ স্ত্রীও নেই।তাই
মজা পাবার জন্য কিছু
চটি পেইজ ও সেক্সি ছবির গ্রুপে এড
করে দিলেন।
প্রত্যহ রাতে ফেসবুকে ঢুকে তাই
এক অন্যরকম
আনন্দ পান তিনি।
একদিন একটা মেয়ের সাথে চ্যাট
করতে করতে ভাল
লেগে যায় তার।তারপর প্রতিরাতেই
তিনি মেয়েটার
জন্য অপেক্ষায় থাকেন।প্রথম প্রথম
খোঁজ খবর
নেয়া,ভালো ভালো কথা বলা আর
তারপর থেকেই
প্রতিরাতেই সেক্স চ্যাট।বয়স ৪৫
পেরুলেও
ফেসবুকে ২০ বছরের তাগড়া বালক
তিনি।আর
মেয়েটাকে পটাতেও সময়
লাগে নি বেশী।
তো একরাতে রহিম সাহেব
স্কাইপি সেক্সের জন্য
মেয়েটাকে প্রেশার দিতে থাকেন।
মেয়েটার নগ্ন
শরীর তিনি প্রতিরাতেই
স্বপ্নে দেখেন।আর আজ
সত্যি সত্যিই দেখতে মন চাইছে তার।
কিন্তু,মেয়ে
টি রাজি হচ্ছে না।জোর করা ঠিক
হবে না ভেবে তিনি মেয়েটাকে কিছু
নগ্ন
ছবি পাঠাতে বলল।মেয়েটা কম
বয়সী আর
আবেগীও।কথা ফেলতে পারে নি।একটু
পরেই
মেয়েটির কিছু নগ্ন স্হিরচিত্র
রহিম সাহেবের
ইনবক্সে।মেয়েটির
ইচ্ছানুযায়ী তিনিও তার কিছু
স্হিরচিত্র পাঠিয়ে দিলেন।
ছবিগুলো সিন হবার পর রহিম সাহেব
তার মেসেজের
আর কোন উত্তর পেলেন না।
পরদিন সকাল ৮:০০
ছেলেটা কাঁদো কাঁদো গলায়
বাবাকে ঘুম
থেকে তুলছে।
-বাবা বাবা।উঠ বাবা।
অবাক হয়ে রহিম সাহেব জিজ্ঞেস
করলেন- কিরে,
কি হয়েছে?? তুই কাঁদছিস কেন??
-বাবা।আপু আত্মহত্যা করেছে।
ফ্যানের
সাথে ওড়না...............
আর কিছুই সে বলতে পারল না।
রহিম সাহেব আর কখনই
মেয়েটাকে অনলাইনে পেল
না।মেসেজের মেসেজ দেয়া সত্তেও
মেসেজের
রিপ্লাই দেয়া তো দূরের
কথা,মেসেজগুলো সিনও
হয় নি।
আমি মোঃ সব্বুর আজাদ বাপ্পি। সাধারণত বাংলা ভাষিদের কাছে কিছু গল্প পৌছে দেবার উদ্দেশ্য নিয়ে ১৫/০৩/২০১৫ সালে ব্লগটির শুভয়াত্রা শুরু হয়। মাঝপথে এসে আমার নিজশ্ব কিছু সমষ্যার কারনে ব্লগটির কার্জক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সৄষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে আমার সকল সমষ্যার অবশান ঘটে এবং গত ২৮/০৬/২০১৭ হতে ব্লগ কার্যক্রম আবার শুরু করি। আশাকরি সকলে পাশে থাকবেন।






0 মন্তব্য:
Post a Comment