অনেক বছর আগে আজকের এইদিনে বাবা-মা আত্মীয় স্বজন দের মুখ উজ্জ্বল করে জন্ম নিল একটি ""ফুটফুটে কন্যা শিশু""
কিন্তু কন্যা শিশুটি সবার মুখের হাসি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারলো না,,:। কারন জন্ম নেয়ার আধা ঘন্টা পরেও শিশুটি ওয়াও ওয়াও করলো না,,।। শিশুটির এই আচরন সবাইকে খুব বেশি উদ্বিগ্ন করলো,।কারন শিশুটির জন্ম নেয়ার ৭/৮ বছর আগে তার বড় বোন ছোনিয়া মাত্র ১১ মাস বয়সে অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়,,।।এইজন্য সবাই এই কন্যা শিশুটিকে নিয়ে বড্ড বেশি হতাশাগ্রস্থ হয়ে যায়,,।। সবচেয়ে বড় বিষয় শিশুটি এই পরিবারের একমাত্র কন্যা সন্তান,,,।।
সদ্য জন্ম নেয়া কন্যা শিশুটির দাদি শিশুটিকে এক গামলা ঈষৎ গরম পানিতে ১৫ মিনিট রেখে দিলেন যেন শিশুটি ""ওয়াও ওয়াও,""করে,,।। শিশুটি কিছু টা রেগে গেল তবুও ""ওয়াও ওয়াও """ করলো না,,,।। শিশুটি সবাইকে বেশ হতাশ করে দিল,,,।।
এর কিছুক্ষণ পরে শিশুটির দাদি শিশুটির পা দুটো আকাশের দিকে ও মুখ মাটির দিকে করে ১০ মিনিট উল্টো ঝুলিয়ে পিঠে ঠাস ঠাস করে চড় মারতে লাগলো,,।।এত কিছুর পরেও শিশুটি সবাইকে হতাশ করে দিয়ে সে ""ওয়াও ওয়াও,"" করলো না,,,।।
শুধু রেগে গিয়ে মুখ টা লাল করে ফেললো।।
শিশুটি মনে মনে বললো, " আমি গর্ভাবস্থায় আব্বু আম্মুর থেকে শুনেছি আমার বড় বোন ওয়াও ওয়াও করলে তারা খুব কষ্ট পেতো,,।। তাই আমাকে যত ই কষ্ট দাও না কেন আমি কিছুতেই ওয়াও ওয়াও করে তাদের কষ্ট দেবো না,,,,,।।
এই কথা গুলো ভাবতে ভাবতে শিশুটি খেয়াল করলো তার ঠান্ডা লেগে গেছে এবং নিঃশ্বাস নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে,,। শিশুটি আরো বললো আমি ওয়াও ওয়াও করিনি তাই কি হয়েছে আমিতো সুস্থ ছিলাম,।
শুধু শুধু ওয়াও ওয়াও শোনার জন্য আমাকে এত কষ্ট দিয়ে দিলেতো আরো অসুস্থ করে,,,।।
এক বৃদ্ধ মহিলা খেয়াল করলেন শিশুটির হৃদ স্পন্দন অস্বাভাবিক ভাবে কমে গেছে।।হাত পা খুব ঠান্ডা হয়ে গেছে,,,।।
তবে কি এই শিশুটিও তারার দেশে হারিয়ে যাবে??
এরিই মধ্যে শিশুটির দাদি ও বাবা আল্লাহ এর কথা স্মরন করে বললেন শিশুটি বাঁচলে শিশু টির বিয়ের সময় চার টা খাসি জবাই দিয়ে অসহায়দের খাওয়ানো হবে,,,।।
অন্য এক মহিলা দাদি কে জানালেন ওসব দোয়া দিয়ে কিছু হবে না তোমার প্রথম পুতনির ওপর জ্বিনের কুনজর ছিল এটার ওপর ও লেগেছে,,। তারে বাঁচাইতে চাইলে এক্ষুনি অমুক কবিরাজের কাছে নিয়ে যাও,,।
কথা গুলো শোনা মাত্র ই কোন কিছু না ভেবে শিশুটির দাদি এবং বাবা রিকশায় ৪৫ মিনিট পথ পাড়ি দিয়ে সেই অমুক কবিরাজের কাছে নিয়ে বিস্তারিত জানালেন,,।
কবিরাজ সদ্যজাত শিশুটির নাকে সরিষার তেল লাগিয়ে ও শরীরে পানি ছিটিয়ে ২৫ মিনিট মাটির মেঝের ওপর রেখেদিলেন,,। এরপরেও শিশুটি ওয়াও ওয়াও করলো না,,,।। শুধু পিটপিট করে চোখ দিয়ে চেয়ে সবার পাগলামি দেখতে লাগলো,,।
এর কিছুক্ষণ পরে শিশুটির দাদি শিশুটির পা দুটো আকাশের দিকে ও মুখ মাটির দিকে করে ১০ মিনিট উল্টো ঝুলিয়ে পিঠে ঠাস ঠাস করে চড় মারতে লাগলো,,।।এত কিছুর পরেও শিশুটি সবাইকে হতাশ করে দিয়ে সে ""ওয়াও ওয়াও,"" করলো না,,,।।
শুধু রেগে গিয়ে মুখ টা লাল করে ফেললো।।
শিশুটি মনে মনে বললো, " আমি গর্ভাবস্থায় আব্বু আম্মুর থেকে শুনেছি আমার বড় বোন ওয়াও ওয়াও করলে তারা খুব কষ্ট পেতো,,।। তাই আমাকে যত ই কষ্ট দাও না কেন আমি কিছুতেই ওয়াও ওয়াও করে তাদের কষ্ট দেবো না,,,,,।।
এই কথা গুলো ভাবতে ভাবতে শিশুটি খেয়াল করলো তার ঠান্ডা লেগে গেছে এবং নিঃশ্বাস নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে,,। শিশুটি আরো বললো আমি ওয়াও ওয়াও করিনি তাই কি হয়েছে আমিতো সুস্থ ছিলাম,।
শুধু শুধু ওয়াও ওয়াও শোনার জন্য আমাকে এত কষ্ট দিয়ে দিলেতো আরো অসুস্থ করে,,,।।
এক বৃদ্ধ মহিলা খেয়াল করলেন শিশুটির হৃদ স্পন্দন অস্বাভাবিক ভাবে কমে গেছে।।হাত পা খুব ঠান্ডা হয়ে গেছে,,,।।
তবে কি এই শিশুটিও তারার দেশে হারিয়ে যাবে??
এরিই মধ্যে শিশুটির দাদি ও বাবা আল্লাহ এর কথা স্মরন করে বললেন শিশুটি বাঁচলে শিশু টির বিয়ের সময় চার টা খাসি জবাই দিয়ে অসহায়দের খাওয়ানো হবে,,,।।
অন্য এক মহিলা দাদি কে জানালেন ওসব দোয়া দিয়ে কিছু হবে না তোমার প্রথম পুতনির ওপর জ্বিনের কুনজর ছিল এটার ওপর ও লেগেছে,,। তারে বাঁচাইতে চাইলে এক্ষুনি অমুক কবিরাজের কাছে নিয়ে যাও,,।
কথা গুলো শোনা মাত্র ই কোন কিছু না ভেবে শিশুটির দাদি এবং বাবা রিকশায় ৪৫ মিনিট পথ পাড়ি দিয়ে সেই অমুক কবিরাজের কাছে নিয়ে বিস্তারিত জানালেন,,।
কবিরাজ সদ্যজাত শিশুটির নাকে সরিষার তেল লাগিয়ে ও শরীরে পানি ছিটিয়ে ২৫ মিনিট মাটির মেঝের ওপর রেখেদিলেন,,। এরপরেও শিশুটি ওয়াও ওয়াও করলো না,,,।। শুধু পিটপিট করে চোখ দিয়ে চেয়ে সবার পাগলামি দেখতে লাগলো,,।
বেশ কিছুক্ষণ পর কবিরাজ জানালেন এই শিশুটিকে বাঁচানো তার পক্ষে সম্ভব না,,।
তাই শেষ আশ্রয় স্থল হিসেবে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে,,।। ডাক্তার শিশুটিকে দেখেই তার অভিভাবক দের খুব বকাবকি করে শিশুটির মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দিলেন,,। এর কিছুক্ষণ পরে শিশুটির নরম হাতে খিচ করে একটা ইঞ্জেকশন ফুটিয়ে দিল,,,।।
এত্তটুকু শিশুর হাতে কোন গাধা সুঁই ফোটায় হাবা ডাক্তার কোথাকার ""এই কথা ভাবতে ভাবতে কন্যা শিশুটি "ওয়াও ওয়াও করে দিল,,,।।
শিশুটি খেয়াল করলো সে যত জোরে ওয়াও ওয়াও করে কাঁদে তার আশেপাশের মানুষ গুলো তত ই খিল খিল করে হাসে,,।
শিশুটি বুঝতে পারলো শিশুর মুখের প্রথম ওয়াও ওয়াও কান্না বাবা-মা সহ সবার হাসির অন্যতম কারন,,।
সে গর্ভাবস্থায় যেটা শিখে এসেছে সেটা ছিল ভুল,,।
এবং এভাবেই স্মৃতি হয়ে থাকলো কন্যা শিশুটির ""ওয়াও ডে,"""
তাই শেষ আশ্রয় স্থল হিসেবে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে,,।। ডাক্তার শিশুটিকে দেখেই তার অভিভাবক দের খুব বকাবকি করে শিশুটির মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দিলেন,,। এর কিছুক্ষণ পরে শিশুটির নরম হাতে খিচ করে একটা ইঞ্জেকশন ফুটিয়ে দিল,,,।।
এত্তটুকু শিশুর হাতে কোন গাধা সুঁই ফোটায় হাবা ডাক্তার কোথাকার ""এই কথা ভাবতে ভাবতে কন্যা শিশুটি "ওয়াও ওয়াও করে দিল,,,।।
শিশুটি খেয়াল করলো সে যত জোরে ওয়াও ওয়াও করে কাঁদে তার আশেপাশের মানুষ গুলো তত ই খিল খিল করে হাসে,,।
শিশুটি বুঝতে পারলো শিশুর মুখের প্রথম ওয়াও ওয়াও কান্না বাবা-মা সহ সবার হাসির অন্যতম কারন,,।
সে গর্ভাবস্থায় যেটা শিখে এসেছে সেটা ছিল ভুল,,।
এবং এভাবেই স্মৃতি হয়ে থাকলো কন্যা শিশুটির ""ওয়াও ডে,"""






0 মন্তব্য:
Post a Comment