জেলের ভেতরে বসে আছে মন্টু।আজ সে জেলখানার আসামি। তবুও এই জিবন তার কাছে তেমন খারাপ লাগে না। বসে তার জিবনের হারিয়ে যাওয়ার দিনগুলো মনে করছে। কলেজের মধ্যে মেধাবী ছাত্রের মধ্যে মন্টু একজন।আর তাই রিমি নামের মেয়েটি এই ছেলেকে ভালবাসার প্রস্তাব দেয়। অনেকদিন তাদের সম্পর্ক চলছে। তারা লেখা পড়ার সবকিছু যেমন শেয়ার করে। তেমনি ভালবাসাও শেয়ার করে। কলেজ বন্ধ হয়েছে ১ মাসের মত।এর মধ্যে রিমির সাথে দেখা হয় মন্টুর।রিমির সাথে ফোনে কথা বলতে গেলে মন্টুকে তেমন পাত্তা দেয় না।হয়তো অনেকদিন দেখা হয় না।তাই এমন করছে। আজ ফোনে রিমির সাথে দেখা করার কথা। আজ সে দেখা করতে পারবে না।তার কাজ আছে। অনেকদিন পার্কে আসা হয় না। রিমির সাথে পার্কে আসে।রিমিকে ছাড়া আসা হয় না। কলেজ ফাকি দিয়ে মাঝে মাঝে আসা হত। সবকিছু নতুন লাগছে তাই মন্টু ভাবলো পার্কের ভেতরে একা একা হাটি। হাটতে হাটতে থমকে দাঁড়ালো মন্টু। পার্কে দুইজন বসে আছে। বসে থাকা সাভাবিক। আর নোংরামি করাও সাভাবিক।কিন্তু মেয়েটি দেখতে রিমির মত।তাই মন্টু দাঁড়ালো।রিমি এখানে আসবে কেন? রিমির তো কাজ আছে।কাজ বাদ দিয়ে এখানে আসার মেয়ে রিমি না। হয়তো রিমির কথা ভাবতে ভাবতে রিমিকে দেখছে। তবুও কেমন যেন মনে হলো। তাই মন্টু তাদের কাছে গেল। কাছে গিয়ে দেখলো রিমি। মন্টু বলল
-রিমি।তুমি এখানে কি করছো? আর এই ছেলে কে?
-ও আমার বয়ফ্রেন্ড।
-মানে!!
-বয়ফ্রেন্ড মানে আমার লাভার।
-এটাই তোমার জরুরি কাজ? আর সেই কারনেই পার্কে.......
-মুখ সামলে কথা বলো।তুমি আমাদের মাঝে নাক গলানোর কে?আমার পিছনে ঘুরে পাত্তা পাও নি।
-আমি আর কে।কেউ না।আমি কেউ না!! বলে ঠাস করে একটা থাপ্পড় মেরে মন্টু সেখান থেকে চলে গেল। মন্টু রাতে একা একা বাসায় ফিরছে। এই রাস্তা তার চেনা তাই অন্ধকারে কোন সমস্যা হচ্ছে না। সামনে থেকে আলো এসে চোখে পড়ায় দাড়িয়ে গেল। কয়েকটি হোন্ডা এসে মন্টুর সামনে দাঁড়ালো। কয়েকজন নেমেই মন্টুকে মারা শুরু করলো। মন্টু
কিছু বোঝার আগেই জ্ঞ্যান হারালো। পরেরদিন হাসপাতালে শুয়ে আছে মন্টু। সারা জরিরে প্রচুর ব্যাথা। গায়ে কেটেও গেছে।
মন্টু বন্ধু মনিরের কাছ থেকে জানতে পারলো রাতে যারা মেরেছিল তারা নাকি মজিদের লোক ছিল। মজিদ রিমির
বয়ফ্রেন্ড। থাপ্পড় মেরে চলে আসার পরে রিমি তার বয়ফ্রেন্ড কে অনেক কিছু বলেছে। তাই মন্টুকে মেরেছে। হাসপাতাল থেকে মন্টুকে বাড়িতে আনা হল। এখন সে সুস্থ। তাকে দেখতে এলাকার নেতা এসেছিল। নেতা বলল
-ভাই। তুই বল। কে তোরে মারছে।ওর পা কেটে হাতে ধরিয়ে দিবো।
-আমি চিনি না।ওদের কিছু বলতে হবে না।
-শোন ভাই। কোন সমস্যা হলে আমারে বলবি।
সুস্থ হওয়ার পরে রিমির সাথে আর যোগাযোগ করে নি। রাস্তায় যাওয়ার সময় মজিদের বাইকের পিছনে রিমিকে দেখলো। খুব আনন্দে আছে তারা। মজিদ নাকি এখন তার জান প্রান।১ মাস তাদের সম্পর্ক। রিমি আর মজিদের রুম
ডেট থেকে সবকিছুই হয়েছে। ধনি ছেলেদের সাথে রুম ডেট কোন বেপার না। কিন্তু এই রিমির হাত ধরতে গেলেই লজ্জা পেত। আর মন্টু কোনদিন জোড় করে নি। কিন্তু এখন রুমডেট করতেও লজ্জা নেই। পরিস্থিতি মানুষকে বদলে দেয়। বাড়িতে এসে মন্টুর শুধু মজিদের বাইকের পিছনে বসা রিমির কথা মনে পরছে। কিছুতেই ভুলতে পারছে না। কিন্তু কেন এমন? কত কিছুই তো ভুলে যাওয়া যায়।কিন্তু এই বেপার টা ভোলা যাচ্ছে না। বড় ভাইয়ের আস্তানার পাশ দিয়ে
যাচ্ছিল মন্টু।বড় ভাই বলেছিল দরকার পরলে দেখা করতে। তাই একবার গেল বড় ভাইয়ের কাছে। বড় ভাই মন্টুকে দেখে বলল
ডেট থেকে সবকিছুই হয়েছে। ধনি ছেলেদের সাথে রুম ডেট কোন বেপার না। কিন্তু এই রিমির হাত ধরতে গেলেই লজ্জা পেত। আর মন্টু কোনদিন জোড় করে নি। কিন্তু এখন রুমডেট করতেও লজ্জা নেই। পরিস্থিতি মানুষকে বদলে দেয়। বাড়িতে এসে মন্টুর শুধু মজিদের বাইকের পিছনে বসা রিমির কথা মনে পরছে। কিছুতেই ভুলতে পারছে না। কিন্তু কেন এমন? কত কিছুই তো ভুলে যাওয়া যায়।কিন্তু এই বেপার টা ভোলা যাচ্ছে না। বড় ভাইয়ের আস্তানার পাশ দিয়ে
যাচ্ছিল মন্টু।বড় ভাই বলেছিল দরকার পরলে দেখা করতে। তাই একবার গেল বড় ভাইয়ের কাছে। বড় ভাই মন্টুকে দেখে বলল
-কিরে মন্টু।তোর কোন খবর নাই।ভাইয়ের কথা ভুলে গেছিস নাকি?
-ভুলবো কেন? আমার একটা উপকার করতে পারবেন ভাই?
-একটা কেন দশটা উপকার করতে পারবো। কি উপকার বল।
-আপনার বন্দুক টা একটু দিবেন আমাকে?
-বন্ধুক দিয়ে কি করবি?
-এমনি।একটু নাড়াচাড়া করবো।
-আর কিছু করবি না তো?
-নাহ।
-তাহলে নে।এর মধ্যে একটা গুলি আছে উল্টাপাল্টা কিছু করিস না কিন্তু।
-আচ্ছা ভাই। অনেক সময়ে বন্ধুক হাতে রাস্তার পাশে বসে
আছে মন্টু। সিগারেট খাচ্ছে আর বসে আছে। কিছুই ভাল লাগছে না। একটা বাইক এসে মন্টুর চোখে আলো মারলো। মন্টু বসেই রইলো। বাইক থেকে মজিদ বলল
-কিরে ছেঁকা খাওয়া প্রেমিক।কেমন আছিস?
-ভাল(গম্ভির হয়ে)
-আমি কোথায় গিয়েছিলাম জানিস? রিমিকে নিয়ে অনেক দুরে। আর সেখানে কি করেছি জানিস তো। তুই বেচারা প্রেম না করেও মাইর খালি।
-আর কিছু।
-হা হা হা।এখন বসে সিগারেট খা। পারলে গাজা খা।
-ওই দারা।
-কি বললি? আমামে দাড়াতে বললি?
-হ্যা।
তর্কাতর্কি চলতে চলতে মন্টু বন্ধুক থেকে গুলিটা মজিদের বুকে চালিয়ে দিল। লাশটা নিয়ে পানিতে ফেলে দিলো। মন্ট বড় ভাইয়ের আস্তানায় দাড়িয়ে আছে। তার শরির ঘামছে। বড় ভাই বলল
-কিরে কি হয়েছে তোর? ঘামছিস কেন?
-ভাই আমি একজনকে খুন করছি।
-বলিস কি!! তুই তো বাড়িতে গেলে তোর সমস্যা হতে পারে।
-আমি আর বাড়ি যাবো না।আমি আপনাদের দলে নাম লেখাতে চাই।
-তুই ভেবে বলছিস তো?
-হ্যা।
মন্টু এখন এলাকার নামি মাস্তান। তাকে এখন সবাই চিনে।অনেকে আবার বড় ভাই বলে।কোন কাজে মন্টু বেশি সফল হয়। সন্ধার পরে রাস্তায় দাড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে মন্টু আর তার ছেলেরা। হঠাৎ পাশ দিয়ে একটা মেয়ে যাচ্ছিল। একটা ছেলে বলল
-আরে রিমি আপু।কেমন আছেন?
-জি ভালো।
রিমি নাম শুনেই ঘুরে তাকালো মন্টু। তাকিয়ে দেখে সেই রিমি। সবাইকে বলল
-এই নিয়ে চল এইটারে। আস্তানায় একটা ঘরে বসে আছে রিমি।
-আরে রিমি আপু।কেমন আছেন?
-জি ভালো।
রিমি নাম শুনেই ঘুরে তাকালো মন্টু। তাকিয়ে দেখে সেই রিমি। সবাইকে বলল
-এই নিয়ে চল এইটারে। আস্তানায় একটা ঘরে বসে আছে রিমি।
মন্টু বলল
-কেমন আছেন মেডাম?
-তুমি আমাকে এখানে ধরে আনলে কেন?
-ওই তুমি না আপনি। তেজ কমা।আদব কায়দা জানিস না।
-আমাকে এখানে ধরে আনছেন কেন?
-তোর সব তেজ আজ কমাবো আমি।
-প্লিজ আমার ইজ্জত নষ্ট করবেন না। আমাকে ছেড়ে দিন।
-তুই কিভাবে ভাবলি তোর মত খা**কিরে আমি.......। তুই দিনের পর দিন একটা ছেলের সাথে রুমডেট করিস। তোর আবার ইজ্জত কিসের?
-আমাকে ছেড়ে দিন।
-তুই কেন আমাত সাথে এমন করলি? তুই আমাকে মাইর খাওয়ালি।আমি সেই মজিদকে মেরে ফেলেছি। এইবার তোর পালা। গলা থেকে টপ টপ করে রক্ত বের হচ্ছে। মন্টুর মন থেকেও মনে হচ্ছে দুঃখগুলো বের হয়ে যাচ্ছে। বস্তায় কাটা লাশ ভরে থানায় নিয়ে গেল। লাশ দেখে পুলিশরা চমকে গেল। মন্টু সব খুলে বলল তারপরে দশ বছরের জেল হয় মন্টুর। এখন সে জেলখানায় শাস্তিভোগ করছে। শাস্তিভোগ করলেও তার দুঃখ নেই। কারন সে একজন বেইমানকে শাস্তি দিয়ে আজ সে জেলে। হঠাৎ ঘন্টা বেজে উঠলো।তাই মন্টু উঠে পরলো।
-কেমন আছেন মেডাম?
-তুমি আমাকে এখানে ধরে আনলে কেন?
-ওই তুমি না আপনি। তেজ কমা।আদব কায়দা জানিস না।
-আমাকে এখানে ধরে আনছেন কেন?
-তোর সব তেজ আজ কমাবো আমি।
-প্লিজ আমার ইজ্জত নষ্ট করবেন না। আমাকে ছেড়ে দিন।
-তুই কিভাবে ভাবলি তোর মত খা**কিরে আমি.......। তুই দিনের পর দিন একটা ছেলের সাথে রুমডেট করিস। তোর আবার ইজ্জত কিসের?
-আমাকে ছেড়ে দিন।
-তুই কেন আমাত সাথে এমন করলি? তুই আমাকে মাইর খাওয়ালি।আমি সেই মজিদকে মেরে ফেলেছি। এইবার তোর পালা। গলা থেকে টপ টপ করে রক্ত বের হচ্ছে। মন্টুর মন থেকেও মনে হচ্ছে দুঃখগুলো বের হয়ে যাচ্ছে। বস্তায় কাটা লাশ ভরে থানায় নিয়ে গেল। লাশ দেখে পুলিশরা চমকে গেল। মন্টু সব খুলে বলল তারপরে দশ বছরের জেল হয় মন্টুর। এখন সে জেলখানায় শাস্তিভোগ করছে। শাস্তিভোগ করলেও তার দুঃখ নেই। কারন সে একজন বেইমানকে শাস্তি দিয়ে আজ সে জেলে। হঠাৎ ঘন্টা বেজে উঠলো।তাই মন্টু উঠে পরলো।






0 মন্তব্য:
Post a Comment